আত্ম নির্ভরশীল হও । বেকারত্ব দূর করো

Wednesday, May 4, 2016

কবুতর পালন ব্যবসা




আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছেন। পূর্বের পোষ্টে আমরা মাইক সার্ভিস ও সাউন্ড সিষ্টেম ব্যবসা সম্পর্কে আলাপ করেছি। এখন আমরা ব্যতিক্রমী একটা ব্যবসা সম্পর্কে আলাপ করবো। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের আজকের বিষয় কবুতর পারন। আমরা প্রায়ই শখেরবসে কবুতর পালন করে থাকি। যুগে যুগে রাজা বাদশা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সকলেই শখ করে কবুতর পালন করে আসেছেন। অনেকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন কবুতরের চাষ বা কবুতরে খামার। অল্প পুজিতে যে কোন মানুষ এ খামার করতে পারেন। কবুতরের খামার করতে তেমন কোন যায়গা প্রয়োজন হয়না। বাড়িতে ঘরের সাথে ঘর তৈরী করে সেখানে কবুতর পোষা যায়। গ্রামে সাধারণত এবাবেই যুগে যুগে মানুষ কবুতরের চাষ করে আসছে। তবে আমি আপনাদেরকে এ ভাবে কামার করার পরামর্শ দেবোনা। যদি ব্যবসায়িক ভাবে কবুতর কামার করতে চান তবে একটি কাঠের ঘর তুলবেন চারদিকে স্টিল জাল দিয়ে বেড়া দিবেন একটি মাত্র দরজা রাখবেন। দরজায় তোলার ব্যবস্থা করবেন। আমাদের অনেকেরই জানা আছে সকলের ঘরে কবুতর থাকেনা উড়ে যায়। তাই ঘর বন্ধি করে চাষ করলে এ ভয়টা আর থাকবেনা। ঘরের ভেতরে কবুতর থাকার জন্য বাসা তৈরি করে দিন। যদিও কবুতর ডিম পাড়া বা ডিম তা দেয়া ছাড়া খুব একটা বাসায় থাকেনা। প্রতি জোড়া কবুতরের জন্য ২ টি বাসার ব্যবস্থা থকা ভালো। প্রথমে দেশি জাতের কবুতর দিয়ে শুরু করা ভালো কারন দেশি জাতের কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি তাই ক্ষতির আশংকা কম থাকে। বিশ্বে শতাধকি জাতের কবুতর রয়েছে তবে বাংলাদেশে মোটা মুটি ২০-৩৫ জাতের কবুতর পাওয়্ য্য়। দেশি কবুতর চাষ করে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে দামি জাতের কবুতর চাষ করতে হয়। এক জোড়া দেশি কবুতরের বর্তমান বাজার মূল্য ৩০০-৬০০ টাকা। ভালো জাতের এক জোড়া কবুতরের দাম ১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫০০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়।

Sunday, May 1, 2016

মাইক সার্ভিস ব্যবসা



পাঠক, আসসালামু আলাইকুম, ওয়ারহমাতুল্লাহ। আশা করি ভালো আছেন। পূর্বের পোষ্ট এ সাউন্ড বক্স সম্পর্কে লিখে ছিলাম। আশা করি সামান্ন হলেও বুঝতে পেরেছেন। এ ব্লোগের যে কোন বিষয়ে বুঝতে অসুবিধা হলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টস্ এর মাধ্যমে জানাবেন। সমস্যার সমাধানের জন্য আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করবো ইন্স আল্লাহ।

সাউন্ড বক্স ব্যবসা ও মাইক সার্ভিস ব্যবসা একে অপরের সাথে যুক্ত। কিছু প্রোগ্রাম আছে যেখানে শুধু সাউন্ড বক্স দিয়ে চালানো অসম্ভব, মাইক সার্ভিস অতিব জরুরী। যেমন- মাহফিল, ওরশ মাহফিল, মিটিং-সেমিনার ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সম্পূর্ণ ভাবে সাউন্ড সিষ্টেম সার্ভিস করতে মাইক ও বক্স উভয়ের কম্বিনেশন দরকার।

প্রথমিক ভাবে আপনাকে মাইকের একটি ভালো মেশিন সংগ্রহ করতে হবে যাতে কমপক্ষে ১০ টি ইউনিট চলতেপারে এবং একটি নরমাল হালকা মেশিন সংগ্রহ করতে হবে। ভালো মানের ২-৪ টি ইউনিট এবং ২-৩ টি ভালো মাইক্রোফোন ও একটি ১২ ভোল্ট এসিড ব্যটরীর ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যাস আপনার মাইক ব্যবসা শুরু। মালামাল ক্রয়ের পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে কিনবেন। বাজারে নকল পন্যের কোন অভাব নেই বরং বলা যায় আসলের থেকে নকরের বাজারই রমরমা। টাকা খরচ করে নরমাল পন্য কিনলে আপনার সার্ভিস খারাপ হবে। সার্ভিস খারাপ হলে আপনার ব্যবসা মন্দা যাবে, আর ব্যবসা মন্দা গেলে আপনার ব্যবসা থেকে মনচলে যাবে আর ১০ টাকার মাল ২ টাকায় বিক্রি করে দিয়ে বলবেন যা……………….. কত দেখলা..ম, সব দেখা আছে। ব্যবসা তো আর কম করলামনা, পোষায়না আর আমাকে বকাবকি শুরু করবেন. শালার জন্য আমর এত টাকা লস হলো। আমি চাইনা আমার জন্য কেউ-ই লস করুক বরং আমি চাই সকলে কিছুনা কিছু করুক, কেউ যেন বেকার না থাকে। কিছু টুকিা টাকি মালামাল আছে যেমনা মাইক্রোফোন স্টান্ড, পাওয়ার ক্যাবোল, মাইক ক্যাবোল, হর্ন ক্যবল ইত্যাদি প্রয়োজনানুযায়ী ব্যবস্থা করে নিবেন। পরে আপনার চাহিদা মোতাবেক মেশিন, ইউনিট, মাইক্রোফোনসহ যবতীয় মালামাল বাড়িয়ে কিনে নিবেন যদি দরকার পরে। পোষ্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পরবর্তি পোষ্ট পড়ার জন্য আমন্ত্রন রেখে আজকের মতো বিদায়। ভালো থাকবেন আর ভালোর সাথে থাকবেন। এই পোষ্টটি PDF হিসাবে পেতে এখানে ক্লিক করুন



Thursday, April 28, 2016

সাউন্ড সিষ্টেম ও মাইক সার্ভিস ব্যবসা



আমাদের দেশে বিভিন্ন সময়ে নানান রকমের অনুষ্ঠান হয় যেমন ঈদ, কুরবানি, ঈদুল ফিতর, মাহফিল, স্কুলের নানান অনুষ্ঠান, পূজা, নির্বাচনী প্রচারনা সহ বিভিন্ন খরনের অনূষ্ঠান হয়। তাছাড়া বিবাহ, খাতনা, বন ভোজন, মেলা ইত্যাদি। সকল প্রকার অনুষ্ঠানেই সাউন্ড সিষ্টেম ব্যবহার করা হয়। সমস্যা কি যদি এ অনুষ্ঠানের দায়িত্বে আপনি থাকেন। তার উপরে যদি থাকে গান শোনার ব্যক্তিগত শখ তো কথাই নেই। একবার পুজি কাটালে আর দরকার নেই। ভাড়া দিবেন আর টাকা তোলবেন ব্যাস।

প্রথমিক দিকে কম পুজি থাকলে এক পেয়ার বক্স ও একটি মাইকের মেশিন সাথে ৩-৪টি ইউনিট দিয়ে শুরু করতে পারেন বা শুধু এক পেয়ার বক্স দিয়েও শুরু করতে পারে। তারপর আস্তে ধিরে ব্যবসা প্রসস্ত করলেন। পরিচিতিও বাড়লো, ব্যবসাও চাঙ্গা হলো। যদি একটু বেশি পুজি খাটাতে পারে তবে এক সাথে মাইক ও বক্স কিনতে পারেন।

সাউন্ড বক্স তৈরি:-
বাজারে বিভিন্ন ধরনের চায়না বক্স প্রাওয়া যায় যা ১৫০০০/--৪০০০০/- দামে বিক্রি করে থাকে এগুলো মোটামুটি কাজ চলে তবে নেজে তৈরি করা সাউন্ড বক্সের মান সব সমই ভালো। ৪৫০০০/-- ৭০০০০/- টাকার মধ্যে বক্স তৈরী করতে পারেন। ইচ্ছে মতো সার্ভিস করতে পারবেন। ঝুকির পরিমাণ কম ও সাউন্ডের বেষ্ট কোয়ালিটি পাবেন। যে কোন বড় শহরে ইলেকট্রনিক্সের দোকান থেকে যাচাই করে এবং অভিজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। যদি টাকা দিয়ে বাজে কোয়ারিটির মেশিন, বক্স তৈরি করেন তবে ব্যবসার শুরুতেই লোসখানের সম্ভাবনা থাকবে। তাই মেশিন তৈরির আগেই সব কিছু বুঝে তার পর সামনে এগাতে হবে।

ভালো কোয়ালিটির সাউন্ড বক্সে যা থাকবে:-

হাই ভোল্টেস (কমপক্ষে) ২৪ ট্রেন্জিষ্টরের মেশিন।
১৬ ইস্পিকার ৪ টা, ৪ কয়েল হলে ভালো হয় ।
ভালো মানের টুইটার ২টি।
মিক্সার মেশিন ১ টি ৬ চ্যানেল বা তার থেকে বেশি, দরকার অনুযায়ী।
কট মাইক্রোফোন ও কট লেস মাইক্রোফোন ভালো মানের দেখে কিনবেন।

ব্যাস আপনার মেশিন রেডি। এখানে দেখার বিষয় হলো মেশিনে ট্রান্সফর্মার অনেক ক্ষেত্রে কম মানের দেয় সেটা মেশিনের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর এবং তাতে ভালো মানের সাউন্ড হবে না। স্পিকারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের কম্পানির স্পিকার থেকে সঠিক মানেরটা বাছাই করা কঠিন তবে ফাইভ কোড় (কম দামের) বা জেবিএল (মোটামুটি) এবং আরো ভালো মানের স্পিকার রয়েছে তা থেকে সমার্থানুযায়ী কিনবেন। বক্সে টুইটার কাটা একটা বড় সমস্যা তাই বক্সে পেলো সুপার বা অন্য সার্কিট টুইটারের সাথে ব্যবহার করা ভালো। তবে যদি চান ফিল্টার দিয়ে কাজ চালাতে পারবেন সেক্ষেত্রে দু দিকে ৮ টি ফিল্টার লাগিয়ে দিন। ফিল্টারের দাম অত্যান্ত নগন্য। অবশ্যই টুইটারের কয়েল নিজের কাছে অতিরিক্ত রেখে দিবেন। মিক্সার মেশিন নানা ধরনের ও নানা দামের বাজারে রয়েছে তা থেকে আপনার পছন্দ মতো কিনবেন। কোন একটা অনুষ্ঠানে একাধির মাইক্রোফোন ব্যবহারের জন্য মিক্সার ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া সাউন্ড কোয়ালিটি সুন্দর করতে বা নিয়ন্ত্রন করতে মিক্সার একান্ত দরকার। কোন কনসার্টে আপনার বক্স ভাড়া দিলে সেখানে ভালো মানের মাইক্রোফোন এবং একধিক মাইক্রোফোন দিতে হবে। কোন অনুষ্ঠানে সাউন্ডের বাজে নয়েচ চলতে দেয়া যাবেনা তাতে আপনার দূর্নাম হবে এবং ব্যবসায় ক্ষতি হবে।

উপরে যে মালামালের বিবরণ দেয়া আছে তা আপনি ৫০০০০/- ৬৫০০০/- টাকার মধ্যে পেয়ে যাবে বা স্পিকারের দাম কমান তবে খরচ আরো কমবে। যদি এক পেয়ার সাউন্ড সিষ্টেম ঠিক ভাবে ১ বছর ব্যবহার করতে পারেন তাতে আপনার চালান সহ মুনফা অর্জন করতে পারবেন। তাবে বক্সের সাথে একজন অপারেটর দেয়া আবশ্যক নইলে বিভিন্ন ধরনের জামেলার তৈরি হয়। নিজ হাতে সঠিক ভাবে ব্যবহার করলে, নিয়ন্ত্রিত সাউন্ড সার্ভিস করলে মেশিনের কোন প্রকার সমস্যা হয়না। ইলেকট্রনিক্সের মালামাল নষ্ট হওয়াটা অশাবাবিক কিছু নয়। তবে তা মেরামতে খুব বেশি খরচ পরবেনা।

মাইক সার্ভিস- এখন নয় আমাদের সাথে থাকুন পরবর্তিতে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো ইন্স আল্লাহ্। সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন সকলে। আপনার জীবন সুখর হোক। আমার জন্য দোয়া করবেন। এই পোষ্টটি PDF হিসেবে পেতে এখানে ক্লিক করুন।

Wednesday, April 27, 2016

উদ্দোক্তা হবার জন্য আপনি কোন কাজটি বাছাই করবেন?



আপনাকে শুভেচ্ছা, পূণঃ আমাদের পোষ্ট পড়ার জন্য। গত পর্বে আমরা আপনাদের বলেছি আত্ম নির্ভরশীল কি, কোন কাজটি আপনার জন্য নির্বাচন কারা উচিৎ হবে। কোন কাজটি আপনি সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করে স্বার্থক কর্মজিবি হতে পারবেন। এখানে আপনাকে বলেছি কিছু কাজের ধরণ যেটা আপনার মনের সাথে বা আপনার অভিজ্ঞতার সাথে মিলে যেতে পারি।
নিশ্চই আপনি পূর্বের পোষ্টটি পরে আপনার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ধারনা করে ফেলেছেন। আপনার আথিক অবস্থা, যাতায়াত ব্যবস্থা, লোক বাল, চাহিদার ধরন ইত্যাদি। বিভিন্ন কাজ থেকে আপনাকে সঠিক কাজটি বাছাই করে নিন।
আপনি ব্যবসা করতে পারেন বা কৃষি বা ফার্ম ব্যবস্থাপনা করে আত্ম নির্ভরশীল হতে পারেন। মনে একটি কথা সর্ব সময় গেথেঁ রাখবেন লোকর কথা, লোকে বিভিন্ন ভাবে উক্তি বা কোটুক্তি করবে তা ভেবে থেমে গেলে চরবেনা। কেউতো আপনার বেকার জীবনকে কর্ম জীবনে রূপ দিয়ে দিবেনা। কেউ আপনাকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করছেনা কিন্তু আপনি একটা কাজ করলে পাড়ার লোকজন আপনাকে প্রথমে নিন্দা করবে এটাই স্বাভাবিক। কথায় চিড়া ভিজেনা এত দিনে হয়তো তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। কথায় বলে টাকাই কি সবকিছু, আমি বলি হ্যা, টাকাই সব কিছু। আপনার কাছে কেউ টাকা পেলে সে আপনাকে ডেকে চা নস্তা করাবেনা নিশ্চই বরং বিভিন্ন ধরনের মানুষিক টর্চার করায় ব্যস্থ রাকবে। মানষিক ভাবে আপনাকে বিধ্বস্ত করে দিতে থাকবে। তাই সবার আগে দরকার টাকার ব্যবস্থা করা। আর ঐ সকল লোকদের কে নিয়ে কবি লিখে ছিলেন-
করিতে পাড়িনা কাজ, সধাভয় সদা ভয়, সদা লাজ
পাছে লোকে কিছু বলে।
পাছে লোকে অনেক কাথাই বলবে তা শুনে থেমে থাকলে আপনার নিজেরই সমস্যা বাড়বে তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া অতিবো জরুরী। এখন কাজের কথায় আসি, আকামা প্যাচাল বহুত পোডলাম। আমরা বিশেষ করে তরুনরা ব্যবসায় বেমানান, ব্যবসায় বসে থাকা মারামাল আনা নেয়া অত্যান্ত জামেরার তাই এমন ব্যবসা ব্যবস্থা করতে হবে যাতে বাবুয়ানা ডং থাকে আর পকেটটাও একটু ভাড়ি থাকে। ভাবছেন এমন ব্যবসা কোথায় পাবেন? হ্যা আছে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা যেমন ধরুন কম্পিউটারের দোকান- স্টুডিও, কম্পিউটার কম্পোজ ও ফটোকপিয়ার, সাউন্ড সিস্টেম ও মাইক সার্ভিস, নাইট লাইট ও লাইটিং, কসমেটিক্স ও ফর্মেসির ব্যবসা করতে পারেন। এ ব্যবসা গুলোর মনা সর্বত্রই ভালো এবং সম্মানের। যারা সব সময় নেটে থাকতে পছন্দ করেন তার আউট সোসিং বা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। সকল বিষয়ে বিস্তারিত পরবর্তি পোষ্টে আপলোড করা হবে।

তাছাড়া যারা ব্যবসা পছন্দ করেননা তার কৃষির বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করতে পারেন যেমন- ফলের বাগান, সব্জি চাষ, মাছ চাষ, মুরগী পালন, কবুতর পালন, কোয়েল পালন, মাশরুম চাষ, নার্সারী ইত্যাদি। কাজের কোন শেষ নেই যা খুব সহজে করা যায় তাই উল্লেখ করলাম। কৃষি কাজের জন্য বাড়ির আসেপাশে পতিত জমি কাজে লাগাতে পারেন। যাতে করে পারিবারিক প্রতিদিনের কাচা বাজারের ঝামেল লাগব হবে। আর এত খুব বেশি খরচ করতে হয়না। সমাস্য খরচ আর নিজের পরিশ্রমই আপনাকে লাভোবান করবে। সঠিক স্থান ও সঠিক সময় নির্বাচন করে নিয়ম মেনে চাষ করতে পারলে অবশ্যই কৃতকার্য হবেন বলো আশা করি, ইন্স আল্লাহ্।

পরবর্তি পোষ্টে বিভিন্ন কাজের উপরে আলাধা-আলাধা টোপিক নিয়ে লেখাহবে , এ পর্যন্ত সকলের মঙ্গল ও সার্বিক উন্নতি কামনা করি। আমার জন্য দোয়া করবেন।

এ পোষ্টটি PDF ফাইল হিসবে পেতে এখানে ক্লিক করুন